হুমায়ূন আহমেদের লেখা ছোটগল্প “যন্ত্র” আমাকে বেশ নাড়া দিয়েছে, এটি তার সায়েন্স ফিকশন ঘরানার একটি ছোটো গল্প। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যেমন আবিস্কারের বহু আগেই উড়ন্ত যান্ত্রিক পাখি, হেলিকপ্টার, ট্যাঙ্ক এবং বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রের নকশা তৈরি করেছিলেন; জুলভার্ন যেমন উড়োজাহাজ, রকেট কিংবা সাবমেরিনের বাস্তব ও ব্যবহারিক প্রয়োগের অনেক আগেই মহাকাশ ভ্রমণ ও সমুদ্র তলদেশে ভ্রমণের কল্পকাহিনী লিখেছিলেন, ঠিক তেমনি করেই হুমায়ূন আহমেদ ‘যন্ত্র’ গল্পে এক অনাগত সময়ের অতি উন্নত বিশ্বে জরা ও মৃত্যুকে জয় করা অমর মানুষের সুখ দুঃখ,আনন্দের অনুভূতি ও যন্ত্র নিয়ন্ত্রিত জীবনের গল্প শুনিয়েছেন। সেই গল্প শুনে শিউরে উঠতে হয়, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ অত্যন্ত উন্নত এক সমাজে বাস করেও আর সুখী বা তৃপ্ত নয়, তাকে যন্ত্র কিনে এক কৃত্রিম আনন্দ খুঁজে নিতে হয়।